একাধিক বর্ড

আমাদের দেশের শক্তি আমাদের বৈচিত্র‍্য। নানা ভাষা, নানা সামাজিক বৈচিত্র‍্যের মধ্যে বেড়ে ওঠে এদেশের শিশুরা, যা দেয় তাদের অনন্য পরিচিতি। সঠিক মূল্যায়নের জন্য এইসব শিশুদের উপযুক্তভাবে লালন-পালন করা জরুরি।

এই ভাবনা থেকেই রাজ্য সরকারগুলি স্বাধীনভাবে তাদের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। সেই জন্য প্রতিটি রাজ্যের শিক্ষাক্রম, শিক্ষানীতি আলাদা। আর তাই গঠিত হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপর্ষদ।

বিভিন্ন শিক্ষাপর্ষদের বিভিন্ন বিষয়, বিভিন্ন শিক্ষাদান পদ্ধতি। যেমন, পশ্চিমবঙ্গে বিজ্ঞানকে ভাগ করা হয়েছে লাইফ সায়েন্স আর ফিজিক্যাল সায়েন্স এই দুটি ভাগে – যার জন্য বোর্ডের পরীক্ষায় ছাত্রদের বিজ্ঞানের দুটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয় । কিন্তু বাকি দেশে ছাত্রদের পরীক্ষা দিতে হয় ১০০ নম্বরের একটি বিজ্ঞান বিষয়ে। একইভাবে ওড়িশায় ছাত্রদের তিনটি ভাষা পড়তে হয় – ইংরেজি বাধ্যতামূলক। অন্য দুটি বেছে নিতে হয় ওড়িয়া, সংস্কৃত, হিন্দির মধ্য থেকে।

তাই এটাই প্রশ্ন যে এমন কোনও ব্যবস্থা কি গড়ে তোলা যায়, যাতে এই সবকটি বিষয় বিবেচনা করা যাবে। হ্যাঁ, জ্ঞানস্রোত - যার আদর্শ, ‘সাকসেস সব কে হাত’ থেকে বিষয়টি প্রাঞ্জল হবে। তাই না?

বর্তমানে আমরা আসছি ৯-টি ভাষার ১৪-টি বোর্ড নিয়ে।

জ্ঞানস্রোত এই সবকটি বিষয়কেই গুরুত্ব দেয়। কারণ এটি প্রত্যেক রাজ্যের ছাত্রদেরই শুধু মূল্য দেয় না, গুরুত্ব দেয় রাজ্যগুলির শিক্ষা ব্যবস্থাকেও।

তাই একবার ছাত্ররা তার শিক্ষাপর্ষদ বেছে নিলে, জ্ঞানস্রোত তাকে পাঠ্যক্রম বুঝিয়ে দেবে। স্কুলের পাঠ্যসূচির সঙ্গে এই পাঠ্যক্রম অভিন্ন।